HomeGroupsTalkMoreZeitgeist
This site uses cookies to deliver our services, improve performance, for analytics, and (if not signed in) for advertising. By using LibraryThing you acknowledge that you have read and understand our Terms of Service and Privacy Policy. Your use of the site and services is subject to these policies and terms.
Hide this

Results from Google Books

Click on a thumbnail to go to Google Books.

Loading...

Fires on the Plain (1957)

by Shōhei Ōoka

Other authors: See the other authors section.

MembersReviewsPopularityAverage ratingMentions
306762,460 (4.01)59
"Written with precise skill and beautifully controlled power. The translation by Ivan Morris is outstanding." --The New York Times **Winner of the 1952 Yomiuri Prize** This haunting novel explores the complete degradation and isolation of a man by war.Fires on the Plain is set on the island of Leyte in the Philippines during World War II, where the Japanese army is disintegrating under the hammer blows of the American landings. Within this broader disintegration is another, that of a single human being, Private Tamura. The war destroys each of his ties to society, one by one, until Tamura, a sensitive and intelligent man, becomes an outcast. Nearly losing the will to survive, he hears of a port still in Japanese hands and struggles to walk through the American lines. Unfazed by danger, he welcomes the prospect of dying, but first, he loses his hope, and then his sanity. Lost among his hallucinations, Tamura comes to fancy himself an angel enjoined by God to eat no living thing--but even angels fall. Tamura is never less than human, even when driven to the ultimate sin against humanity. Shocking as the outward events are, the greatness of the novel lies in its uplifting vision during a time of crushing horror. As relevant today as when it was originally published,Fires on the Plain will strike a chord with anyone who has lived through the horrors of war.… (more)
  1. 10
    The Sea and Poison by Shūsaku Endō (lilisin)
  2. 10
    Harp of Burma by Michio Takeyama (lilisin)
    lilisin: This is the book that "Harp of Burma" wishes it was. Similar themes but Harp has a greater sense of hope while Fires definitely focuses more on the despair of its characters.
None
Loading...

Sign up for LibraryThing to find out whether you'll like this book.

No current Talk conversations about this book.

» See also 59 mentions

English (5)  Spanish (1)  Italian (1)  All languages (7)
Showing 5 of 5
Why don't presidents fight the war?
Why do they always send the poor?

-B.Y.O.B, System of A Down
ইতিহাস লেখা হয় বিজয়ীর কলমে। বিজিত সে ইতিহাসে নেহাৎ-ই অচ্ছুৎ। মানবসভ্যতার ইতিহাসে ঘটে যাওয়া সব যুদ্ধের যত বিবরণী আমরা পড়ি, তার বেশীরভাগটা ভীষণ একপেশেই বটে। আমরা ইতিহাসে পাই বিজয়ীর বীরত্বগাঁথা আর ত্যাগের গল্প; পাই তার কষ্টের বিবরণী। নিউটনের তৃতীয় সূত্র মানলে বিজয়ী যতটা মার দেন, বিজিতকে তো সেই পরিমাণ মারই খেতে হয়। তবুও আমরা পরাজিতদের গল্প শুনতে চাইনা বেশী একটা। হারু পার্টির প্রতি আমাদের অত সহানুভূতি নেই, বিশেষত সে পার্টিটি যদি হয় আধুনিক পৃথিবীর ঘৃণ্যতম মানুষদের সমন্বয়ে গঠিত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অক্ষ শক্তি। জার্মানীর হিটলার, ইতালীর কুখ্যাত ফ্যাসিস্ট নেতা মুসৌলিনি আর জাপানের সাম্রাজ্যবাদী সম্রাট হিরোহিতো ছিলেন এই অক্ষশক্তির প্রধান তিন কাপ্তান। এঁদের যাঁর যাঁর কুৎসিত জীবনদর্শন চরিতার্থ করতেই ভূগোলকের স্থানভেদে গড়ে উঠেছিলো জার্মান নাৎজি বাহিনী, ইতালীয় ফ্যাসিস্ট বাহিনী, জাপানী রাজকীয় সামরিক বাহিনী, ক্রোয়েশিয়ান উস্তাশি...ইত্যাদি। নাৎজিদের অত্যাচারের কাহিনী আজ সর্বজনবিদিত। মুসৌলিনির ফ্যাসিস্ট বাহিনীর কথাও খুব অজানা নয়। মুসৌলিনির প্রতি সাধারণ জনগনের ঘৃণা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিলো যে মুসৌলিনিকে হত্যার পর তার মৃতদেহটাকে ফ্যাসিস্ট কায়দাতেই উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিলো যাতে দর্শনার্থীরা এসে এসে পাথর নিক্ষেপ করে কিংবা থুথু ছিটিয়ে তাঁদের বহু বছরের ঘৃণার ভারটুকু সামান্য লাঘব করতে পারেন; আধুনিক বিশ্বের দ্বিতীয় কোন রাষ্ট্রনায়কের কপালে সম্ভবত এমন ‘শেষকৃত্য’ জোটেনি।


ছবিঃ সাঙ্গপাঙ্গ সহ 'ফাঁসিকাষ্ঠে' মুসৌলিনি (বাঁ থেকে দ্বিতীয়)

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পূর্ববর্তী আগ্রাসী জাপানও নাৎজি কি ফ্যাসিস্ট কোনোটির চেয়েই কম কিছু ছিলোনা। শুধুমাত্র চীনের নানকিংয়েই জাপানী বাহিনী ১৯৩৭ এর ১৩ ডিসেম্বর থেকে ’৩৮ এর জানুয়ারী পর্যন্ত ছ’সপ্তাহে গণহত্যা আর গণধর্ষণের যে নমুনা দেখিয়েছে তার তুলনা বোধহয় শুধু এক তারা নিজেরাই হতে পারে। এ ছ’সপ্তাহে তিন লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, শিশু-যুবতী-বৃদ্ধাভেদে​ ধর্ষিত হয়েছে কুড়ি হাজার নারী, যাদের বড় অংশই ভয়ঙ্কর বিকৃত যৌনতার শিকার। বহু ঐতিহাসিক নথিতেই এসেছে ধর্ষণের শিকার সেসব লাশের বর্ণনা, যাদের যৌনাঙ্গে তখনও আটকে ছিল জাপানী সৈনিকদের বেয়োনেট, চাকু, বাঁশের কঞ্চি...পুরুষাঙ্গের​ বিকল্প ইত্যাদি সব বস্তু; রাসায়নিক কাঠামোতে ধাতব বেয়োনেট কিংবা বাঁশের কঞ্চি রক্ত মাংসের শিশ্নের চেয়ে ঢের শক্ত হওয়াতেই বোধকরি এদের আশ্রয়ে নপুংসক জাপানী বাহিনী ঢাকতে চেয়েছে তাদের অক্ষমতা। তাইওয়ানিজ বংশদ্ভুত গবেষক আইরিস চ্যাং তাঁর বিখ্যাত বই ‘দ্যা রেইপ অফ নানকিং’-এ ধরে রেখেছেন ইতিহাসের কালো সে অধ্যায়। জীবনভর চীনেদের ওপর জাপানীদের অত্যাচারের খোঁজ করতে গিয়ে চ্যাং ভুগেছেন প্রবল বিষণ্ণতায়, যা থেকে তাঁর কখনো আর মুক্তি মেলেনি। ২০০৪ সালে মাত্র ছত্রিশ বছর বয়েসে মুখে গুলি চালিয়ে চ্যাং আত্নহত্যা করেন। বিষণ্ণতাকে নিজে গুডবাই জানান বটে, চাপিয়ে দিয়ে যান আমাদের সবার ওপরে।

‘ফায়ারস অন দ্যা প্লেইন’ জাপানী লেখক শোহেই ওকা’র ম্যাগনাম ওপাস বলে স্বীকৃত। উপন্যাসটির প্রেক্ষাপট দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার দখলকৃত ফিলিপাইন। সম্রাট হিরোহিতোর নেতৃত্বে সাম্রাজ্যবাদী জাপান ১৯৪২ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত দখল করে রাখে ফিলিপাইন। তবে ফিলিপাইন দখলের কথা কিংবা ফিলিপাইনের জনগণের দুঃখগাঁথা এ উপন্যাসে আসেনি। মিত্রবাহিনী, বিশেষত, আমিরকার প্রবল আক্রমণের মুখে হারের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়ানো খাদ্য-রসদহীন জাপানী বাহিনীর এক সৈনিকের নিজেকে টিকিয়ে রাখার সংগ্রামের গল্প এ উপন্যাসের মূল উপজীব্য। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ব সংক্রান্ত বেশীরভাগ গল্প-উপন্যাস কিংবা ঐতিহাসিক দলিল যেখানে অনেকটাই ইওরোপ কিংবা রাশিয়া কেন্দ্রিক, জাপানী এই উপন্যাস বিশ্বযুদ্ধটির ব্যাপারে উৎসুক পাঠক-গবেষকদের জন্য নতুন একটি দরজা স্বরূপ। যুদ্ধের গল্প পড়াটা আসলে কখনোই খুব সুখকর কিছু নয়, এই বইটি তো নয়ই। তবে আমরা মানুষেরা ঠেকে শিখি। নীতিকথার গল্প কিংবা ধর্মের বুলির তত্ত্ব দিয়ে যুদ্ধ বিগ্রহ থেকে আমাদের আটকে রাখা যায়না। প্রচুর রক্তপাত ঘটিয়ে তবেই ‘যুদ্ধ ভালো নয়’ এই জ্ঞানটি কিনতে হয় আমাদের। বিষাদগ্রস্ত ভীষণ morbid এক স্বরে বলে যাওয়া ওকা'র যুদ্ধবিরোধী ছোট্ট এ গল্প মনুষ্যত্বের গণ্ডদেশে একটি চড় বিশেষ। চীন-ফিলিপাইনে চালানো কুকীর্তি গুলোর ফিরিস্তি জানলে যে জাপানী বাহিনীর প্রতি ঘৃণায় মন কুঁকড়ে আসে, এই উপন্যাস সেই ঘৃণাবোধের কিছুটা হয়তো ফিরিয়েও নেয়। এক জীবনে অত ঘৃণা পুষে রাখা যায়না বলে প্রকৃতিই হয়তো সাম্যাবস্থা বজায় রাখবার একটা পন্থা বার করে নেয়।

'ফায়ারস অন দ্যা প্লেইন' উপন্যাসের প্রথম দৃশ্যটিই মর্মান্তিক, অকুস্থল ফিলিপাইনের লিয়েত দ্বীপ (Leyte)। সৈনিক প্রাইভেট তামুরা’র বয়ানে বর্ণিত এ উপন্যাস শুরু হয় তার গ্রুপ কমান্ডারের কাছে চড় খাবার মধ্য দিয়ে। কমান্ডারের রাগের কারণ তামুরা হাসপাতাল থেকে রণক্ষেত্রে চলে এসেছে তার কোম্পানীর কাছে (যদিও ক্ষয়ে ক্ষয়ে কোম্পানী এখন প্লাটুনে এসে দাঁড়িয়েছে। একটি কোম্পানী গঠিত হয় একশ থেকে দুইশ সৈনিক নিয়ে, প্লাটুনের সৈনিক সংখ্যা ওঠানামা করে ষোল থেকে পঞ্চাশের মাঝে)। যক্ষ্মায় আক্রান্ত তামুরা তার দলের কাছে এখন বোঝা বিশেষ, শুধু শুধু তাকে বসিয়ে খাইয়ে কমান্ডার তাঁর নিজের ভাঁড়ার খালি করতে চাননা, ওদিকে হাসপাতালও তামুরাকে রাখতে চায়না; কারণটা সেই একই, পেট! হাসপাতালের ভাঁড়ারও শূন্য, নিজের খাবার ব্যবস্থা করতে না পারলে কোন রোগীর দিকেই তাকাবারও অবসর নেই ডাক্তারদের, হাসপাতালে ভর্তি করা তো নেহাৎ দিবাস্বপ্ন। কমান্ডার তামুরাকে তাঁর কোম্পানী থেকে বেরিয়ে গিয়ে নিজের ব্যবস্থা করে নিতে আদেশ করেন; যদি একান্তই খাদ্য-আশ্রয় এসবের কিছুই কপালে না জোটে, কোমরে গোঁজা গ্রেনেডটা ফাটিয়ে তামুরা যেন নিজের মুক্তির পথ বেছে নেয় সেই উপদেশও দিয়ে দেন। সহযোদ্ধারা তামুরার ভাগ্যে ঈর্ষান্বিত, কোম্পানীতে থাকলে হয় না খেয়ে নয় প্রতিপক্ষের বোমায় মরতে হবে। তামুরা ঈর্ষান্বিত সহযোদ্ধাদের ভাগ্যে, কোম্পানীতে থাকতে পেলে র‍্যাশনের একটা করে আলু তো পাওয়া যেতো অন্তত! হাসপাতালের বাইরে সৈনিকেরা ডজনে ডজনে শুয়ে আছে, এদের সবাই ই ডায়রিয়া নয় ম্যালেরিয়া নয় যক্ষ্মায় ভুগছে, সবাই আশা করে আছে ডাক্তার অনুগ্রহ করে ডেকে নেবে একসময়, চিকিৎসা দেবে, দেবে একটু খেতেও! তামুরা জানে, যুদ্ধের এ ডামাডোলে কেউ কাউকে দেখবার নেই, নিজেকে বাঁচাবার আরেক যুদ্ধে সবাই ব্যস্ত। হাসপাতালে ফিরে যাবার অর্থ সামনের ময়দানে ঘাসের ওপর মুখ থুবড়ে মরে পড়ে থাকা। তবু তামুরা যায়, তবে ডাক্তার রায় দেন তামুরা সম্পূর্ণ নীরোগ। নিরুপায় দূর্বল তামুরা বসে পড়ে হাসপাতালের সামনে কাতারে কাতারে শুয়ে থাকা মৃতপ্রায় সৈনিকদের মাঝে। মাঝরাতে মিত্র বাহিনীর শেল বর্ষণে ঘুম ভেঙ্গে গেলে কোনমতে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে গিয়ে তামুরা দেখে হাসপাতাল দাউ দাউ করে জ্বলছে, জ্বলছে মৃত, অর্ধমৃত, জীবন্মৃত কংকালসার সহযোদ্ধাদের দেহগুলোও। এরই মাঝে কেউ জ্বলন্ত হাসপাতাল ভবনে ঢুকে চুরি করে আনার চেষ্টা করছে র‍্যাশনের আলুগুলো। তামুরা যখন দূর থেকে তার সহযোদ্ধাদের পুড়ে যেতে দেখে, ওর আর তাদের উদ্ধার করতে রুচি হয়না, বরং বিকট শব্দে হাহা করে হেসে ওঠার প্রবল এক ইচ্ছেয় ওকে পেয়ে বসে।

শুরু হয় তামুরার ‘নিজের ব্যবস্থা নিজে করে নেয়ার’ সংগ্রাম। ছিন্ন ভিন্ন পোশাকে ক্ষুৎপিপাসায় কাতর তামুরা লিয়েতের জনমানবহীন গ্রামে ঘুরে বেড়ায় ভূতের মতো, আর একটু একটু করে হারাতে শুরু করে তার মানসিক সুস্থতা। পদে পদে নানারকম হোঁচট খেতে খেতে তামুরা শেষ পর্যন্ত দেখা পায় তার দুই কমরেডের, নাগামাৎসু আর ইয়াসুদা। আধপাগল তামুরার পরিচর্যা করে নাগামাৎসু, চাঙ্গা করে তোলে তাকে রীতিমত পুড়িয়ে রোস্ট করা বাঁদরের মাংস খাইয়ে। তবে সুখ বেশীদিন সয়না, বাঁদরের মাংস শেষ হয়ে আসছে, শিকারে বেরোতে হবে আবার। এরই মাঝে একদিন প্রাণপণ দৌড়ে পলায়নপর অর্ধনগ্ন এক জাপানী সৈনিকের দিকে নাগামাৎসুকে বন্দুক তাক করে গুলি ছুঁড়তে দেখে বাঁদরহীন লিয়েত দ্বীপে বাঁদরের মাংসের উৎসের রহস্যটি তামুরা অবশেষে ভেদ করতে পারে। ক্ষুধায়, ক্লান্তিতে, টিকে থাকার সংগ্রামের হতাশায় নাগামাৎসুদের ন্যায়-অন্যায় বিচার করবার মানসিকতা আর নেই, লোপ পেয়েছে মানবিক অনুভূতিগুলোও। নিছক গল্প বানাবার জন্যই শোহেই ওকা এমন ঘোরালো প্লট ফাঁদেননি; উপন্যাসটির ইংরেজী অনুবাদক ইভান মরিস তাঁর ভূমিকাতে দাবী করেছেন ফিলিপাইনে জাপানী সৈনিকদের নরখাদক বনে যাবার ব্যাপারটি সত্যি, এর ঐতিহাসিক প্রমাণ রয়েছে। বস্তুত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানী বাহিনীর নরখাদকতার কথা এসেছে আরো বহু বিবৃতিতে। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার এই প্রতিবেদনে এসেছে জাপানী বাহিনীর যুদ্ধবন্দী ভারতীয় সৈনিকদের দিয়ে পেটপূজা করবার কথা, এসেছে দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট এর ২৫ বছর আগের এই প্রতিবেদনেও। যুদ্ধবাজ নেতারা যখন নিজ নিজ দেশের জনগণকে দেশপ্রেম আর জাতীয়তাবাদের গরম গরম কথায় উত্তেজিত করেন, মনুষ্যত্ব তখন যুদ্ধক্ষেত্রে বিষ্ঠা, রক্ত আর কাদায় মাখামাখি হয়ে গুমরে কাঁদে। মানবতা ব্যাপারটি হয়ে যায় স্রেফ অভিধানে পাওয়া বাগাড়ম্বর বিশেষ।

বিশ্বসাহিত্যের অন্য মহান সব নিদর্শনের কাতারে ‘ফায়ারস অন দ্যা প্লেইন’-এর ঠাঁই কোথায় হবে সেটি তর্কের বিষয় হতে পারে, বিশেষত এর ইংরেজীতে অনুদিত সংস্করণটির জন্য। উইকিপিডিয়ার তথ্য মতে অনুবাদক ইভান মরিস মূল উপন্যাসের বেশ কিছু অংশ এড়িয়ে গেছেন। এছাড়াও ছোট খাট কিছু খুঁত তেমন করে দেখলে চোখে খানিকটা পড়ে বটে। ওকা নিজে ফরাসী সাহিত্যের অনুরাগী ছিলেন, ফরাসী বেশ কিছু সাহিত্যকর্ম জাপানী ভাষায় অনুবাদ করেছেন। এ উপন্যাসের নায়ক তামুরা’র মাঝে ওকা’র কিছুটা ছাপ রয়েছে, বিশেষত তামুরা’র ফরাসী সাহিত্যের ব্যাপারে জানাশোনার দিক দিয়ে; জীবন সংগ্রামে রত তামুরা অনেকটা স্বগতোক্তির মতই নিজেকে বারবার স্টেন্ডহালের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। এ অংশগুলো পাঠকের মনে প্রশ্ন জাগালে অবাক হবার কিছু থাকবেনা। সেনাবাহিনীর সর্বনিম্ন পদমর্যাদার সৈনিক ‘প্রাইভেট’ তামুরার সাথে ফরাসী সাহিত্যে অনুরাগী তামুরার একটা দূরত্ব থেকেই যায়; তামুরার চরিত্রটি হয়তো আরেকটু গভীরতার দাবী রাখে। ফিলিপাইনের এই মিশনে চোখের সামনে মানবজীবনের মূল্য শূণ্যের কোঠায় নেমে যেতে দেখে ধর্মহীন শিক্ষাব্যবস্থায় বড় হওয়া তামুরার মনের ঈশ্বরচিন্তার উদ্রেক ঘটে; তামুরার ঈশ্বরভাবনার এই monologue গুলো উপন্যাসটিকে একটি ভিন্ন মাত্রা দেয়, ফিলিপাইনের গির্জায়, বনে বাদাড়ে তামুরা খুঁজে ফেরে ঈশ্বরকে। এসব বাদে উপন্যাসটির শেষ তিনটি অধ্যায় এটির জন্য একধরণের বোঝা, এই অধ্যায়গুলো উপন্যাসের শিল্প-মান বাড়াতে কোন ভূমিকাতো রাখেইনি, বরং এদের উপস্থিতি পাঠককে হয়তো কিছুটা দ্বিধান্বিত করবে, একই আশঙ্কা ইভান মরিসও ব্যক্ত করেছেন তাঁর ভূমিকাতে। তবে তাই বলে উপন্যাসটির অবদান মোটেই কম নয়। সাহিত্য আমার কাছে এক ধরনের উন্নত মানের সাংবাদিকতা; মানব মনের জটিল খবরগুলো সাহিত্যিক অনায়াসে এনে দেবেন পাঠকের কাছে, আঁকবেন সমাজের ছবিটা, বায়োলজী খাতার মতো করে ছবির পাশে দাগ কেটে কেটে লেবেলিং করে দেখিয়ে দেবেন সমাজটা কেমন, কোথায় এর অসুখ...একজন সাহিত্যিকের কাছে এইই তো চাওয়া! কাফকা, কামু, মোঁপাসা, তলস্তয়, তারাশংকর, রবি ঠাকুরদের কাজগুলো পড়ে পড়ে মনে এক অন্ধ বিশ্বাস জন্মে গেছে, প্রচণ্ড সংবেদনশীল শ্রেষ্ঠতম মানুষটি না হলে সাহিত্যিক হওয়া চলেনা, কোনরকম শিল্পীই আসলে হওয়া চলেনা। পেটের ক্ষুধা স্বত্বেও সাহিত্যপ্রেমী তামুরার নরখাদক হতে না চাইবার জন্য নিজের সাথে যে যুদ্ধ, তার জন্ম তো ঐ সংবেদনশীলতা থেকেই, যা সাহিত্য আমাদের শেখায়। গ্রেনেডের স্প্লিন্টার নিজের পিঠের এক টুকরো মাংস খুবলে নিলে তামুরা তা-ই তড়িঘড়ি করে মুখে পুরে নিয়ে স্বান্তনা খোঁজে, নিজের মাংস খেলে তো আর নরখাদক হবার পাপে পাপী হতে হয়না! মনের মাঝে ভীষণ এক কামড় কাজ করলেই এমন নির্মম ভাবে গল্প বলা যায়। 'ফায়ারস অন দ্যা প্লেইনে'র পাতায় পাতায় লুকিয়ে আছে মানুষের পশুবৃত্তির কাছে মানবিকতার পরাজয়ে লজ্জিত এক সাহিত্যিকের গ্লানি, কান পাতলে শোনা যায় শোহেই ওকা’র ব্যাথাতুর কণ্ঠ।

নাৎজি কি হানাদার পাকিস্তানী বাহিনী কি জাপানী রাজকীয় বাহিনী, কুখ্যাত এইসব দলগুলো যে মানুষেরই তৈরী, এর সদস্যরা যে আদপেই মানুষ তা বোধহয় এক এরা ফাঁদে আটকা পড়লেই মনে পড়ে। 'ফায়ারস অন দ্যা প্লেইন' উপন্যাসটি অবলম্বনে ১৯৫৯ সালে জাপানে একই নামের চলচ্চিত্র হয়েছিলো যা যুদ্ধবিরোধী অন্যতম শ্রেষ্ঠ কিছু চলচ্চিত্রের মাঝে আজো স্মরণীয়। এরপর ১৯৮১ সালে জার্মান চিত্রপরিচালক উলফগ্যাং পিটারসেন সমুদ্রের গভীরে সাবমেরিনে আটকে পড়া এক নাৎজি দলের সত্য কাহিনী অবলম্বনে ‘ডাস বুট’ (Das Boot) চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন। বাংলা সাহিত্যেও হুমায়ূন আহমেদের গল্পে ('পাপ') এসেছে বাংলাদেশের গ্রামে আটকে পড়া পাকিস্তানী এক সৈনিকের কথা। এঁদেরও বহু আগে এরিখ মারিয়া রেমার্ক লিখে গেছেন পায়ে পা লাগিয়ে ফালতু ফালতু প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ঘটিয়ে দেয়া জার্মান বাহিনীর দুর্ভাগা সৈনিক পল বমারের গল্প ‘অল কোয়ায়েট অন দ্যা ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট’। এই গল্পগুলোতে উঠে আসা প্রত্যেকটি সামরিক বাহিনীই অগণিত মানুষের জন্য দুর্ভোগ বয়ে নিয়ে এসেছে, মেতেছে যথেচ্ছ খুন-ধর্ষণ-লুটপাটে। তবুও কেন বমার, তামুরাদের জন্য আমাদের মন কাঁদে? স্তালিনগ্রাদের যুদ্ধে আটকে পড়া মাইনাস ৩০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় জুতোবিহীন তরুণ নাৎজি সৈনিকটির কথা ভেবে কেন দুঃখবোধ হয়? 'ডাস বুট' দেখতে গিয়ে কি স্তালিনগ্রাদের যুদ্ধের বিবরণী পড়তে গিয়ে অনেকবার নাৎজিদের কষ্টে খুশী হয়ে উঠতে গিয়েছি, পরক্ষণেই মনে পড়ে গেছে রেমার্কের কথা। এদের দুঃখে এত খুশী হলে রেমার্কের বইয়ে অত কষ্ট পাই কেন এই প্রশ্নে জর্জরিত হয়েছে মন। এ কি শুধুই রেমার্কের জাদুকরী লেখনীর জন্য? মানি, রেমার্কের প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পল বমাররা ছাড়াও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বহু নাৎজি সৈনিককেই ইচ্ছের বিরুদ্ধে যুদ্ধক্ষেত্রে যেতে হয়েছে ওপর মহলের নির্দেশে, হয়তো বয়েস তাদের অনেকেরই তখনও আঠেরো পুরোপুরি ছোঁয়নি, কিন্তু দলবদ্ধ মানুষের রুপ যে ভিন্ন! নিজের দিকে যখন হাওয়া বইছিলো তখন তো এরা কাউকে ছেড়ে কথা কয়নি, সে বেলা? এসব নিয়ে যত ভাবি, মাথাটা তত বিগড়ে যায়, মানবজীবনটা বড্ড ফালতু, অর্থহীন আর হাস্যকর ঠেকে, ঠিক-বেঠিক আর বুঝে উঠতে পারিনা। তবে তামুরা কেন তার সহযোদ্ধাদের জ্যান্ত পুড়ে মরা থেকে বাঁচাতে না গিয়ে হাহা করে হেসে উঠতে চেয়েছিলো সেটা আমি ঠিকই বুঝে নিতে পারি। ( )
  Shaker07 | May 18, 2017 |
The end of World War II is approaching, and the Americans have arrived on the island of Leyte in the Phillipines. The Japanese are fleeing to the west coast in hopes of being evacuated. Tamura was separated from his unit when he could no longer carry his weight foraging for food due to his illness. He is sent away, with one grenade to kill himself with, if he can't find a hospital unit to take him in.

As he travels, Tamura sinks deeper into degradation and madness. He cannot decide whether he prefers to live or to die; sometimes he cannot decide whether he is alive or dead. He wonders if there is a God, and if there is, where that God has gone:

'Why, when after all these years I had again been stirred by religious feelings and even been drawn to them by this village, should I have been forced to see only the mangled corpses of my fellow soldiers and the tortured body of Jesus painted by some unskillful artist? Was it fate that had contrived this cruel jest, or did the fault lie within myself?'

While this is an anti-war novel, and there are graphic scenes of death and destruction, the novel's focus is the philosophical and existential exploration by one soldier trying to determine his place in the world. ( )
2 vote arubabookwoman | Jun 29, 2011 |
A desperate Japanese army on a small Island in the Philippines, resorts to abandoning members of their own in a last-ditch effort to strengthen their ranks before the inevitable invasion. Private Tamura is one of these soldiers left to fend for himself, unable to return to his unit and unable to “pay” for treatment at the army hospital. Private Tamura is left to wander Leyte Island with neither a reason to live nor a reason to die. The instinct to survive is a powerful pull that lead Tamura to commit a cardinal sin against humanity.

Ooka's account of a starving Japanese soldiers' attempt to rationalize and come to terms with the horrors of war that are all around him is both powerful and poetic. In utter isolation Ooka takes Tamura to the edge insanity, allowing him explore the depths of despair and the simple joys of nature in a dtetached calm reasoning, giving Tamura's insights both beauty and terror. Even in his struggles to discern the differences between God and himself, Tamura is never too far from the logic and reasoning that forces him to survive his decent into hell ( )
3 vote stretch | Sep 27, 2010 |
"People live only because they have no reason to die."

Fires on the Plain is a tremendous novel of a Japanese soldier's experiences during the 1944 Philippine campaign. In short it is about Private Tamura and his living simply because there is no purpose in dying and because life is simply a collection built off of chance. As a reader we witness an individual battling society which deteriorates into the individual versus his self which further become the individual versus man without humanity/purpose.

The novel builds up through an incredible sense of description, imagery (sense of smell, sight, sound), and a use of language that is beyond description. Ivan Morris is the master of this translation and certainly deserves all recognition for making this work available.

Japanese ideals such as the country before the individual are quickly broken down as soldiers try to latch onto anything that will guarantee their survival. In the presence of other soldiers they try and maintain their Japanese idealism, but when left to themselves they quickly degrade into the survival of the fittest with the fittest finding themselves feeding off the weak.

This novel will stay with me for quite a while. Certain scenes making me shudder, new philosophies on God and life made me ponder, and I will continue to question what makes up life.

Our world is the result of God's wrath and Tamura is the instrument of God's wrath. Truly truly spectacular. ( )
6 vote lilisin | Jan 8, 2009 |
powerful and shocking account of a japanese soldier adrift in the phillipines at the end of world war 2. also contains the memorable phrase 'ambiguous underpants'. ( )
2 vote azfad | Jun 8, 2007 |
Showing 5 of 5
no reviews | add a review

» Add other authors (10 possible)

Author nameRoleType of authorWork?Status
Shōhei Ōokaprimary authorall editionscalculated
Morris, Ivan I.Translatorsecondary authorsome editionsconfirmed
You must log in to edit Common Knowledge data.
For more help see the Common Knowledge help page.
Canonical title
Original title
Alternative titles
Original publication date
People/Characters
Important places
Important events
Related movies
Nobi (1959IMDb)
Awards and honors
Epigraph
Dedication
First words
My squad leader slapped me in the face.
Quotations
Last words
Disambiguation notice
Publisher's editors
Blurbers
Original language
Canonical DDC/MDS

References to this work on external resources.

Wikipedia in English (2)

"Written with precise skill and beautifully controlled power. The translation by Ivan Morris is outstanding." --The New York Times **Winner of the 1952 Yomiuri Prize** This haunting novel explores the complete degradation and isolation of a man by war.Fires on the Plain is set on the island of Leyte in the Philippines during World War II, where the Japanese army is disintegrating under the hammer blows of the American landings. Within this broader disintegration is another, that of a single human being, Private Tamura. The war destroys each of his ties to society, one by one, until Tamura, a sensitive and intelligent man, becomes an outcast. Nearly losing the will to survive, he hears of a port still in Japanese hands and struggles to walk through the American lines. Unfazed by danger, he welcomes the prospect of dying, but first, he loses his hope, and then his sanity. Lost among his hallucinations, Tamura comes to fancy himself an angel enjoined by God to eat no living thing--but even angels fall. Tamura is never less than human, even when driven to the ultimate sin against humanity. Shocking as the outward events are, the greatness of the novel lies in its uplifting vision during a time of crushing horror. As relevant today as when it was originally published,Fires on the Plain will strike a chord with anyone who has lived through the horrors of war.

No library descriptions found.

Book description
Haiku summary

Quick Links

Popular covers

Rating

Average: (4.01)
0.5
1 1
1.5
2
2.5 1
3 10
3.5 4
4 20
4.5
5 17

Is this you?

Become a LibraryThing Author.

 

About | Contact | Privacy/Terms | Help/FAQs | Blog | Store | APIs | TinyCat | Legacy Libraries | Early Reviewers | Common Knowledge | 151,699,480 books! | Top bar: Always visible