HomeGroupsTalkZeitgeist
Hide this

Results from Google Books

Click on a thumbnail to go to Google Books.

Fermat's Last Theorem: The Story of a…
Loading...

Fermat's Last Theorem: The Story of a Riddle That Confounded the… (original 1997; edition 2007)

by Simon Singh

MembersReviewsPopularityAverage ratingMentions
3,588471,471 (4.1)50
Member:fakelvis
Title:Fermat's Last Theorem: The Story of a Riddle That Confounded the World's Greatest Minds for 358 Years
Authors:Simon Singh
Info:Harper Perennial (2007), Edition: (Reissue), Paperback, 368 pages
Collections:Your library
Rating:****1/2
Tags:None

Work details

Fermat's Enigma: The Epic Quest to Solve the World's Greatest Mathematical Problem by Simon Singh (1997)

Loading...

Sign up for LibraryThing to find out whether you'll like this book.

No current Talk conversations about this book.

» See also 50 mentions

English (38)  Spanish (2)  All (2)  Yiddish (1)  German (1)  Danish (1)  Catalan (1)  Hungarian (1)  All (47)
Showing 1-5 of 38 (next | show all)
Highly entertaining account of a mathematical puzzle that remained unsolved for 358 years......until 1995. ( )
  DramMan | Sep 16, 2017 |
“সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজের ওপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল অপর দুই বাহুর ওপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রদ্বয়ের​ ক্ষেত্রফলের সমষ্টির সমান”-বাংলা মধ্যম শিক্ষা ব্যবস্থার ছাত্র-ছাত্রীরা বিজ্ঞান, ব্যবসা, মানবিক ইত্যাদি ‘শ্রেণীগত পার্থক্য’ভেদে সকলেই নবম শ্রেণীতে ‘পীথাগোরাসের উপপাদ্য’ নামে পরিচিত উপপাদ্য-২৩ পড়ে এসেছেন।


চিত্রের সমকোণী ত্রিভুজের (অর্থাৎ যে ত্রিভুজের একটি বাহু অপর বাহুর সাথে ৯০ ডিগ্রী কোণে অবস্থিত) অতিভুজ c, লম্ব a এবং ভূমি b। পীথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে a^2 b^2 = c^2। a, b এবং c এর কিছু মান বসিয়ে সমীকরণের দু পাশ সমান করে ফেলা যায়, সবচেয়ে সহজ একটি উদাহরণ হলো:

৩^২ ৪^২ = ৫^২
বা, ৯ ১৬ = ২৫

দু হাজার বছরেরও বেশী পুরনো এই উপপাদ্যটি আজ আমাদের প্রতিদিনের জীবনে অসংখ্যবার ব্যবহৃত হচ্ছে। এই উপপাদ্য দিয়ে টিভিস্ক্রীন/ কম্পিউটার মনিটর নির্মাতা পর্দার আকার মাপছেন, জ্যোতির্বিদ তারার মাঝের দূরত্ব গুনছেন, ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ফেজর কারেন্ট হিসেব করছেন, সিভিল ইঞ্জিনিয়ার লোড পরিমাপ করছেন, অর্থনীতিবিদ যোগান আর চাহিদার হিসেব মেলাচ্ছেন......মোট কথা, আমাদের আজকের সভ্যতা যে বিন্দুতে দাঁড়িয়ে আছে তার পেছনে আছে a^2 b^2 = c^2 জাদুকাঠিসরূপ এই সমীকরণটির অকল্পনীয় অবদান। এই উপপাদ্যটি ছাড়া প্রকৌশলবিদ্যার কোন একটি শাখাও সচল নয়! এ লেখার উদ্দেশ্য পীথাগোরাসের বা তাঁর উপপাদ্যের জয়গান গাওয়া নয় (উপপাদ্যটি আদৌ পীথাগোরাসের নিজস্ব উদ্ভাবিত কিছুও নয়! তাঁর জন্মের বহু আগে থেকেই একাধিক সভ্যতা এই উপপাদ্যটির ব্যবহার করে আসছিলো)। পীথাগোরাসের উপপাদ্য বিভিন্ন প্রকৌশল বিদ্যার অপরিহার্য অঙ্গ হিসেবে এমনিই গরীয়ান, কিন্তু আরো একটি বিষয় উপপাদ্যের সমীকরণটিকে অনন্য করে তুলেছে। ৩৭৭ বছর আগে, ১৬৩৭ সালে ফরাসী গণিতবিদ পিয়ে দ্যা ফার্মা একটি উপপাদ্য দাঁড় করালেন। “নিম্নোক্ত সমীকরণটির কোন সমাধান পূর্ন সংখ্যায় কখনোই পাওয়া যাবেনাঃ

a^n b^n = c^n যেখানে a, b, c ও n পূর্ণ সংখ্যা ও n এর মান ২ এর চেয়ে বড় যে কোন সংখ্যা"

অর্থাৎ, a^3 b^3 কখনোই c^3 এর সমান হবেনা, a^4 b^4 কখনোই c^4 এর সমান হবেনা……a^100 b^100 কখনই c^100 এর সমান হবেনা……a^9999999999999…….(অসীম) b^9999999999999…….(অসীম) কখনোই c^9999999999999…….(অসীম) এর সমান হবেনা; n এর মান ২ এর ওপর যে কোন পূর্ণ সংখ্যার জন্যই সমীকরণটির কোন সমাধান নেই। “সংখ্যার সংখ্যা কত” এমনটা কেউ বলতে পারবেনা কখনোই। সবচেয়ে বড় শেষ সংখ্যাটির সাথে এক যোগ করে দিলেই আরেকটি নতুন সংখ্যা তৈরী হয়ে যায়। অসীম সংখ্যক সংখ্যার একটি দিয়েও a^n b^n = c^n সমীকরণটির সমাধান করা যাবেনা? বেশ তো, পরখ করে দেখলেই হয়! a, b, c ও n এর বিভিন্ন মান (অবশ্যই পূর্ন সংখ্যায়) নিয়ে একটার পর একটা হিসেব করেই দেখা যাক। কিছুদূর এগোলেই অবশ্য বোঝা যায় কি ভয়ানক দুঃসাধ্য একটি কাজ এটি! চলক বা ভ্যারিয়েবল গুলোর মান বাড়াবার সাথে সাথে হিসেবটাও ভীষণ বড় ও কঠিন হয়ে পড়ে। আজকের দিনে না হয় কম্পিউটার আছে, সেকেন্ডের মাঝে যা লক্ষ লক্ষ হিসেব করে দেবে, ৩৫০ বছর আগে ফার্মা কিভাবে এমন একটি দাবী জানালেন? ফার্মা কি একের পর এক মান হাতে বসিয়ে হিসেব করে দেখেছেন? সেটি বাস্তব সম্মত কোন উপায় নয়। বাকী থাকলো যুক্তির প্রয়োগে উপপাদ্যটি প্রমাণ করা। ফার্মা অত্যন্ত খেয়ালী একজন গণিতবিদ ছিলেন। তিনি ডায়োফেন্টাস এর অ্যারিথমেটিকা বইটি সবসময় বগলদাবা করে রাখতেন এবং কোন থিওরেম তাঁর মাথায় এলে সেটা এই বইয়ের মার্জিন এ লিখে রাখতেন। ফার্মা প্রায় ৩০০ এর মতো সমস্যা লিখে গেছেন এই মার্জিন এ। আলোচ্য সমস্যাটিকে তাঁর শেষ উপপাদ্য বলা হয়ে থাকে। ফার্মা তাঁর অ্যারিথমেটিকা বইয়ের মার্জিনে সমস্যাটি লিখে নিচে লিখেছিলেন, “এই উপপাদ্যটির একটি দারুণ সমাধান আমার জানা আছে, কিন্তু এই মার্জিনটি তা লেখার জন্য যথেষ্ট চওড়া নয়”!
একটি অঙ্ক করতে সর্বোচ্চ কত সময় লাগতে পারে? ১ ঘন্টা? ১ দিন? ১ বছর? ১ যুগ? ফার্মার শেষ এই উপপাদ্যটি ৩৫৮ বছর ধরে পৃথিবীর বড় বড় গণিতবিদদের মুখ ভেংচিয়ে গেছে। ৩৫৮ বছরেও কেউ উপপাদ্যটি প্রমান করতে পারেননি! মাত্রই ১৯ বছর আগে ১৯৯৫ সালে প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অ্যান্ড্রু উইলস অবশেষে উপপাদ্যটির সমাধান করলেন, দীর্ঘ ৮ বছর যুদ্ধ করবার পর। যে বিপুল গবেষণা ও পড়ালেখা এই সমাধানটির পেছনে বিনিয়োগ করতে হয়েছে উইলস কে, তাকে যুদ্ধ বলাটাই মানায়। “Fermat's Enigma: The Epic Quest to Solve the World's Greatest Mathematical Problem"-বইয়ে সাইমন সিং বিবৃত করেছেন উইলস এর সেই ৮ বছর ব্যাপী সংগ্রাম এর গল্প। সিং এর লেখায় এই বইটি উইলস এর অসাধারণ ধৈর্য্য ও অধ্যবসায় এর চমৎকার একটি ডকুমেন্টারি হয়ে থাকলো।

মুহম্মদ জাফর ইকবাল এর ‘[b:নিউরনে আবারো অনুরণন|17664068|নিউরনে আবারো অনুরণন|Muhammed Zafar Iqbal|https://d.gr-assets.com/books/1411285054s/17664068.jpg|24656264]’ যাঁরা পড়েছেন, তাঁরা ফার্মা সংক্রান্ত এ তথ্যগুলো আগেই জানেন। জাফর ইকবাল লিখেছিলেন অ্যান্ড্রু উইলস গণিতের খুব আধুনিক কিছু বিষয়ের ব্যবহার করে ফার্মার উপপাদ্যটি প্রমাণ করেছেন, যা ফার্মার সময়ে উদ্ভাবিতই হয়নি। সাইমন সিং খুব সহজ ভাষায় বর্ণনা করেছেন গণিতের নতুন সেই সংযোজনগুলোর কথা। ১০ বছর বয়েসে অ্যান্ড্রু উইলস প্রথম ফার্মার সমস্যার সাথে পরিচিত হন, তখনি তিনি এটি সমাধান করাকে জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হিসেবে দাঁড় করিয়ে ফেলেছিলেন। ৩৯ বছর বয়েসে এসে প্রমাণ সম্পন্ন করতে উইলসকে প্রচুর নতুন বিষয় শিখতে হয়েছে। বিষয়গুলো এত চমৎকার যে কিছু প্রাথমিক ধারণা এখানে জুড়ে দেয়ার লোভ সামলাতে পারছিনা! উইলস এর প্রমাণটি মূলত দাঁড়িয়ে আছে তানিইয়ামা-শিমুরা ধারণা (কঞ্জেকচার) এর ওপর। তানিইয়ামা-শিমুরা কঞ্জেকচার বলে সকল এলিপ্টিক্ ইকুয়েশন ই মডিউলার ফর্ম! খুব কঠিন হয়ে গেলো কি?

গণিতে x^3 – x^2 = y^2 y এ ধরণের সমীকরণকে বলা হয় এলিপ্টিক্ ইকুয়েশন। একটি সমীকরণের অসীম সংখ্যক সমাধান থাকতে পারে, প্রত্যেকটি নিয়ে আলাদা ভাবে কাজ করতে যাওয়াটা নিতান্ত বোকামী। সমীকরণের সম্ভাব্য সকল সমাধানকে সসীম একটি ছোট্ট স্পেসে প্রকাশ করতে পারলে কাজটা এক্কেবারেই সহজ হয়ে পড়ে। মানুষ ঘড়ি আবিষ্কার করেছে সময়কে একটা ছকে ফেলে কাজ সহজ করে ফেলবার জন্য। ঘড়ি না থাকলে বিশাল বিস্তৃত সময়ের কোন বিন্দুতে আমরা আছি তা কখনো বুঝতেও পারতাম না (এখনও যে খুব পারি তাও নয়, তবু একটা ধারণা অন্তত করতে পারি)। অমুক কাজটা রাতে করে দেবো বললে তা খুব বিভ্রান্তিকর শোনায়, কারণ রাত অনেকগুলো অন্ধকার সময়ের যোগফল; রাতে কখন কাজটা হবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়না। রাত ন’টায় করে দেবো বললে মাথাটা পরিষ্কার হয়ে যায়। সময়ের এই সঠিক পরিমাপের জন্যই মানুষ ঘড়িতে সময়কে ১২ টা ভাগে ভাগ করে নিয়েছে। সমীকরণ সমাধানের ক্ষেত্রেও এই বুদ্ধি খাটানো যায়।



চিত্রের ঘড়িটি ফাইভ-ক্লক অ্যারিথমেটিক সিস্টেম। ৪ থেকে ১ ঘর সামনে আগালে আমরা ০ এ পৌঁছাই, অর্থাৎ, সাধারণ গাণিতিক হিসেবে যেখানে ৪ ১ = ৫, ফাইভ-ক্লক অ্যারিথমেটিক সিস্টেমে ৪ ১ = ০। ৪ থেকে ২ ঘর সামনে আগালে পৌঁছাই ১ এ। সাধারণ গাণিতিক হিসেবে ৪ ২ = ৬, ৫-ঘড়ি পদ্ধতিতে ৪ ২ = ১…ইত্যাদি।
ওপরে উল্লেখিত x^3 – x^2 = y^2 y সমীকরণটির সমাধান ৪টিঃ

x = 0, y = 0
x = 0, y = 4
x = 1, y = 0
x = 1, y = 4

শেষ সমাধানটি (x = 1, y = 4) সাধারণ গাণিতিক হিসেবে ঠিক গ্রহণযোগ্য না হলেও ৫-ঘড়ি পদ্ধতিতে মাপে মাপে মিলে যায়ঃ
x^3 – x^2 = y^2 y
1^3 -1^2 = 4^2 4
1-1 = 16 4
0 = 20
যেহেতু ৫-ঘড়ি পদ্ধতিতে ৫ = ০, ৫ এর সকল গুণিতকও (৫, ১০, ১৫, ২০……) তাই ০ ই হবে। ৫-ঘড়ি পদ্ধতিতে সংখ্যা ছিলো ৫টি (০,১,২,৩,৪), আর সমাধান ছিলো ৪টি, তাই একে E5 = 4 লেখা হয়। যদি ৭ ঘড়ি পদ্ধতি ব্যবহার করা হতো (অর্থাৎ ঘড়িতে দেয়া সংখ্যাগুলো হতো ০,১,২,৩,৪,৫,৬) তাহলে সমাধান হতো ৯টি। এটাকে এখন একটা সিরিজ আকারে লিখে ফেলা যেতে পারেঃ (E সিরিজ)


ইত্যাদি।

এবার আসা যাক মডিউলার ফর্ম এ।


চিত্রের x ও y অক্ষের মাঝে আটকে পড়া বর্গটির রোটেশনালরিফ্লেকশনাল সিমেট্রি বিদ্যমান, অর্থাৎ বর্গটিকে একই অবস্থানে রেখে উল্টে দিলেও এটি দেখতে একইরকম লাগবে, কোন পরিবর্তন ধরা পড়বেনা, এটি হল রোটেশনাল সিমেট্রি। যদি x এবং y অক্ষ বরাবর দুটি আয়না রেখে বর্গটিকে উল্টে পাল্টে ঘোরানো হয়, তাহলেও মনে হবে বর্গের প্রথম অবস্থার কোন পরিবর্তন হয়নি, এটাই রিফ্লেকশনাল সিমেট্রি। যদি এখন বর্গটিকে ধাক্কা দিয়ে সামনের দিকে সরিয়ে দেয়া হয়, তা হলে x এবং y অক্ষের সাপেক্ষে বর্গের অবস্থানের পরিবর্তনটি স্পষ্ট ধরা পড়বে চোখে, অর্থাৎ এর ট্রান্সলেশনাল সিমেট্রি নেই।



এই চিত্রে এবার অসীম সংখ্যক বর্গ আঁকা হলো, x ও y অক্ষের সাপেক্ষে। এই বর্গগুলোর রোটেশনাল ও রিফ্লেকশনাল সিমেট্রি তো আছেই, এদের ট্রান্সলেশনাল সিমেট্রিও বিদ্যমান। কারণ, বর্গগুলো কোনভাবে চলতে শুরু করলে অক্ষদুটির সাপেক্ষে কোন বর্গটি কোথায় গেল বা তাদের অবস্থানের আদৌ কোন পরিবর্তন হলো কিনা তা আর বোঝার উপায় থাকবেনা। সবদিক থেকেই অসীম সংখ্যক বর্গগুলোর সিমেট্রি বা সমতা একইরকম থাকবে। এটিকে ঠিক মডিউলার ফর্ম বলা চলেনা, কারণ মডিউলার ফর্ম পাওয়া যায় চার ডিমেনশন এর স্পেসে, আমরা আমাদের তিন ডিমেনশন (দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা) এর জগতের অভিজ্ঞতা দিয়ে চার ডিমেনশন এর বস্তুর ধারণা করতে পারবোনা। মডিউলার ফর্মের সাথে সিমেট্রির সম্পর্কের বিষয়টি ইঙ্গিত করবার জন্যই বর্গক্ষেত্র সংক্রান্ত আলোচনা এখানে! চার ডিমেনশন এ বাস করা আশ্চর্য সিমেট্রিক মডিউলার ফর্মেরা নির্দিষ্ট কিছু উপকরণ (ইনগ্রেডিয়েন্টস) দিয়ে গঠিত। প্রত্যেকটি মডিউলার ফর্ম ই একে অন্যের চেয়ে আলাদা এই উপকরণের বেশকমের কারণে। উপকরণের সংখ্যানুসারে সাজালে মডিউলার ফর্মের জন্যও একটি সিরিজ পাওয়া যায়, এলিপ্টিক কার্ভের E সিরিজের মতো, একে বলা হয় M সিরিজ। ১৯৫০ এর দশকে দুই জাপানী গণিতবিদ বন্ধু ইয়ুতাকা তানিইয়ামা ও গোরো শিমুরা লক্ষ্য করেন এলিপ্টিক কার্ভের E সিরিজ আর মডিউলার ফর্মের M সিরিজ একেবারে হুবহু মিলে যাচ্ছে, এ থেকে তাঁরা ধারণা করলেন সকল এলিপ্টিক সমীকরণ ই আসলে মডিউলার ফর্ম। তবে এটির পক্ষে কোন প্রমাণ তাঁরা করে যেতে পারেননি, তানিইয়ামা’র অকস্মাৎ আত্নহত্যার দরুন।

তানিইয়ামা-শিমুরা কঞ্জেকচার দিয়েই যে ফার্মার উপপাদ্য প্রমাণিত করা যাবে এ ধারণা দিয়েছিলেন জার্মান গণিতবিদ গেরহার্ড ফ্রে। “মনে করা যাক ফার্মার সমস্যাটির একটি সমাধান আছে”-এই অনুমানের পথে হেঁটে ফ্রে এক নতুন ধরণের এলিপ্টিক কার্ভ আবিষ্কার করলেন যা মডিউলার নয়, তানিইয়ামা-শিমুরার কঞ্জেকচারের সরাসরি বিরোধী। অ্যান্ড্রু উইলস যখন আট বছরের দীর্ঘ সংগ্রাম শেষে উপপাদ্যটি প্রমাণ করলেন, তাঁর প্রমাণটি শুধু ফার্মার সমস্যাটির সমাধানের কাজেই আসেনি, বরং তা গণিত ও নাম্বার থিওরির একাধিক শাখার বিস্তারেও বড় ভূমিকা রেখেছে। তানিইয়ামা-শিমুরা কঞ্জেকচার এখন আর শুধুই একটি কঞ্জেকচার বা অনুমান নয়, এটি একটি স্থাপিত সত্য। গাণিতিক এই তত্ত্বগুলো পরস্পরের সাথে এত দৃঢ়ভাবে সম্পর্কিত, যে শুধু একটির প্রমাণ-ই বাকিগুলোর প্রমাণের জন্য যথেষ্ট, অনেকটা যেন ডমিনো এফেক্টঃ


অ্যান্ড্রু উইলস বেশ কিছু আধুনিক গাণিতিক হাতিয়ারে নিজেকে সজ্জিত করে ফার্মার উপপাদ্যটি প্রমাণ করেন। এর মধ্যে প্রধান দুটি হলো আইওয়াসাওয়া থিওরীকোলিভাগিন-ফ্ল্যাখ মেথড। সদ্য রপ্ত এই বিদ্যাগুলোর প্রয়োগের বেলায় উইলসকে প্রায়ই প্রচন্ড হতাশাজনক পরিস্থিতির ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছে। এই টেকনিকগুলো কত কঠিন সে বিষয়ে উইলস বলেছেন সর্বোচ্চ শিক্ষা প্রাপ্ত একজন পেশাদার গণিতবিদেরও এই বিষয়গুলো আয়ত্তে আনতে অন্তত দু-তিন মাস লাগবেই! ফার্মার সমস্যাটির জটিলতার আরেকটি নির্দেশক এটি।

১৬৩৭ সালে তানিইয়ামা-শিমুরা কঞ্জেকচারের অস্তিত্ব ছিলোনা। ছিলোনা কোলিভাগিন-ফ্ল্যাখ মেথড, আইওয়াসাওয়া থিওরী, মডিউলার ফর্ম, মিয়াওকা অসমতা-এসবের কিছুই। মাত্র ১টি গাণিতিক সমস্যার প্রমাণে ১৫০ পৃষ্ঠা জুড়ে এতগুলো টেকনিকের ব্যবহার ইতিহাস আগে কখনো দেখেনি। উইলস এর এই প্রমাণটি ফার্মার আসল প্রমাণ নয়। ফার্মা কি আদৌ তাঁর সমস্যাটির সমাধান বের করেছিলেন? এক সময় হয়তো এই রহস্যেরও সমাধান হবে, হয়তো আরো অনেক সহজ কোন পদ্ধতি আবিষ্কৃত হবে, তবু অ্যান্ড্রু উইলস এর ১টিই অঙ্ক কষার পেছনে ৮ বছরের পরিশ্রমের গল্প চির অম্লান থাকবে। গণিতের সাথে মোটেই সম্পৃক্ত নয় এমন অনেকেই ৮ বছর লাগিয়ে একটি অঙ্ক করার হাস্যকর দিকটি বের করে উইলসকে নিয়ে নিয়মিত তামাশা করেছে। যে পরিমাণ পরিশ্রম ও লেখাপড়া উইলসকে করতে হয়েছে তার সম্পর্কে কোন ধারণাই হয়তো এই মানুষগুলোর কখনোই হবেনা। মানুষ হিসেবে অন্য মানুষের এ আচরণগুলো মেনে নেয়াটা প্রচণ্ড কষ্টকর ও হতাশাদায়ক এবং ক্ষেত্রবিশেষে মানুষকে সম্মান করার ব্যাপারে মনকে সন্দিহান করে তোলে, সন্দেহ নেই, তবু উইলস এর গল্প শেষ পর্যন্ত মনে করিয়ে দেয়, মানুষ ই তো পারে! ( )
  Shaker07 | May 18, 2017 |
Fascinating and gripping read. Part mystery, part tragedy, part celebration of the human spirit. Highly recommend it and no you don't really need to know or understand anything about maths.
( )
  njgriffin | Jan 2, 2017 |
from the foreword:
"it turned out that everyone had been working on Fermat, but separately and without having it as a goal."


While reading this book, I started thinking about the extraordinary coincidence of so many great mathematicians whose surname began with "W" and also contained an "L" and was just one syllable. Namely, Andre Weil, Hermann Weyl and Andrew Wiles.
Also Wolf and the Wolf prize, not to be confused with the Wolfskehl prize. The latter prize was set up to reward anyone who could come up with a verified proof of Fermat's Last Theorem within one hundred years from the time it was set up, so the deadline was in 2009.

The Langlands program called for uniting various math specialties that had, over time, drifted apart. This book tells about how all the different threads from various areas of mathematics had to be pulled together so that Andrew Wiles could meet that deadline. It wasn't the full Langlands program, but a very remarkable example of how fruitful these relinkings can be.

The first part of the book overlapped with other books I have read that discuss history of mathematics. Around the midpoint, I started learning more. I learned something about the Taniyama-Shimuro conjecture. Other books had referred to it, but hadn't given quite enough detail to leave it anything but obscure mystery in my mind.

I've had this book on my personal to-read list for a long time. I'm glad I found this book in the public library. It was every bit as good as I had expected when I first put it on my list.
( )
1 vote CarolJMO | Dec 12, 2016 |
There is much more details of mathematical proofs than in other works of popular mathematics I've read. Still I feel some more could've been added without making it unreadable for the beginner. ( )
  AlienIndie | May 20, 2016 |
Showing 1-5 of 38 (next | show all)
no reviews | add a review

» Add other authors (25 possible)

Author nameRoleType of authorWork?Status
Simon Singhprimary authorall editionscalculated
Lynch, JohnForewordsecondary authorsome editionsconfirmed
You must log in to edit Common Knowledge data.
For more help see the Common Knowledge help page.
Series (with order)
Canonical title
Original title
Alternative titles
Original publication date
People/Characters
Important places
Important events
Related movies
Awards and honors
Epigraph
Dedication
In memory of Pakhar Singh
First words
It was the most important mathematics lecture of the century.
Quotations
Last words
Disambiguation notice
"Fermat's Last Theorem" and "Fermet's Enigma", by Simon Singh, are the same work.

Earlier notice and response:
'Fermat's Last Theorem' is the correct canonical title as listed on the official site of the author. 'Fermat's Enigma' is the altered title of the American edition.
response: I don't think you can call the title "canonical" if there the work is commonly available for sale under two different titles in English, and the history of changes to the field "Canonical title" supports this contention. For the purpose of disambiguation, perhaps we should just leave it at "Fermat's Last Theorem" and "Fermet's Enigma", by Simon Singh, are the same work.
Publisher's editors
Blurbers
Publisher series
Information from the Japanese Common Knowledge. Edit to localize it to your language.
Original language
Information from the French Common Knowledge. Edit to localize it to your language.
Book description
Haiku summary

Amazon.com Amazon.com Review (ISBN 0385493622, Paperback)

When Andrew Wiles of Princeton University announced a solution of Fermat's last theorem in 1993, it electrified the world of mathematics. After a flaw was discovered in the proof, Wiles had to work for another year--he had already labored in solitude for seven years--to establish that he had solved the 350-year-old problem. Simon Singh's book is a lively, comprehensible explanation of Wiles's work and of the star-, trauma-, and wacko-studded history of Fermat's last theorem. Fermat's Enigma contains some problems that offer a taste of the math, but it also includes limericks to give a feeling for the goofy side of mathematicians.

(retrieved from Amazon Thu, 12 Mar 2015 18:07:42 -0400)

(see all 2 descriptions)

xn + yn = zn, where n represents 3, 4, 5, ...no solution "I have discovered a truly marvelous demonstration of this proposition which this margin is too narrow to contain." With these words, the seventeenth-century French mathematician Pierre de Fermat threw down the gauntlet to future generations. What came to be known as Fermat's Last Theorem looked simple; proving it, however, became the Holy Grail of mathematics, baffling its finest minds for more than 350 years. In Fermat's Enigma--based on the author's award-winning documentary film, which aired on PBS's "Nova"--Simon Singh tells the astonishingly entertaining story of the pursuit of that grail, and the lives that were devoted to, sacrificed for, and saved by it. Here is a mesmerizing tale of heartbreak and mastery that will forever change your feelings about mathematics.… (more)

(summary from another edition)

» see all 3 descriptions

Quick Links

Swap Ebooks Audio
5 avail.
88 wanted

Popular covers

Rating

Average: (4.1)
0.5
1 2
1.5
2 19
2.5 5
3 126
3.5 36
4 288
4.5 43
5 255

Is this you?

Become a LibraryThing Author.

 

You are using the new servers! | About | Privacy/Terms | Help/FAQs | Blog | Store | APIs | TinyCat | Legacy Libraries | Early Reviewers | Common Knowledge | 118,487,738 books! | Top bar: Always visible